শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭

English

সঠিক জল বন্টনই দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ : হাসিনা

প্রকাশিত
এপ্রিল ১০, ২০১৭
news-image

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪ দিনের ভারত সফর শেষ আজ। শেষ দিনে নয়া দিল্লিতে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “সব অভিন্ন নদীর জলবণ্টনে অববাহিকাভিত্তিক একটি বিস্তৃত পরিকল্পনার মধ্যেই ভারত-বাংলাদেশের যৌথ সম্পর্কের ভবিষ্যত নিহিত বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে যৌথ জলসম্পদকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।”

তিনি বলেন, প্রতিশ্রুত তিস্তা চুক্তি হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক রূপান্তরের আরও একটি পর্যায় অতিক্রম করবে।

দুই দেশের সম্পর্কের জন্য তিস্তা চুক্তি যে গুরুত্বপূর্ণ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও তা স্বীকার করেছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার ‘রাজ্যের স্বার্থের’ কথা বলে এখনও চুক্তির বিরোধিতায় অনড়।

গত শনিবার তিনি হাসিনাকে প্রস্তাক দেন, তিস্তা ছাড়াও তোর্সা ও আরও যে দুটি নদী উত্তরবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে গিয়েছে, তার জল বন্টন ঠিক করতে দুই দেশ কমিটি গঠন করুক। মমতা বলেন, শুকনো তিস্তার জল দেওয়াটা সত্যিই সমস্যার।

তিস্তার জল দিতে না-পারার বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যাতে ভুল না-বোঝেন, সে জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন মমতা।

‘দুই দেশের বর্তমান সরকারের মেয়াদেই তিস্তার জল বণ্টন সমস্যার সমাধানে পৌঁছনো যাবে’- নরেন্দ্র মোদির এমন আশ্বাসের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যত দ্রুত সম্ভব তিস্তার সমাধান করতে তার সরকারের আন্তরিক আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। আর তা বাস্তবায়ন হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও একটি রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন পর্যায়ে পৌঁছাবে।

ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রাক্তণ উপ প্রধানমন্ত্রী এল কে আদভানিও উপস্থিত ছিলেন।