বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

English

হাসিনার সফর সূচীতে চোখ বুলিয়ে নিন, নেই তিস্তা চুক্তি

প্রকাশিত
এপ্রিল ৬, ২০১৭
news-image

শুক্রবার ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলতি সফরে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য-যোগাযোগ-জ্বালানি-সহ একাধিক চুক্তি সই হবে। চুক্তি হবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতেও। তবে তিস্তা চুক্তিকে সরকারি আলোচ্যসূচি থেকে বাদই রাখছে দু’দেশ। দক্ষিণ এশিয়ায় চিনের প্রভাব মোকাবিলায়, ঢাকাতে পাশে রাখতে তৎপর নয়াদিল্লি। সে দিক থেকেও শেখ হাসিনার সফর তাৎপর্যপূর্ণ।

গত ছ’মাসে দু-দু’বার সফর বাতিল হয়েছে। কূটনৈতিক জট কাটিয়ে, অবশেষে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে, ৭ থেকে ১০ এপ্রিল, চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আসছেন তিনি।

হাসিনার ভারত সফর

– হাসিনার চলতি সফরে প্রায় ৩৩টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও মউ সই হওয়ার কথা।
– তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা।
– এই চুক্তির ফলে ঢাকাকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করতে পারবে নয়াদিল্লি।
– সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক কর্মী আদানপ্রদান ও প্রশিক্ষণও বাড়বে।
– একইসঙ্গে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও জ্বালানি ক্ষেত্রেও চুক্তি সই করবে ভারত-বাংলাদেশ।
– চুক্তি হবে অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রেও।

হাসিনার সফরের সময়ে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দিল্লিতে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এই সফরে দু’দেশের মধ্যে তিস্তার জল গড়ানোর খুব একটা সম্ভাবনা নেই। এই কারণেই তিস্তা চুক্তিকে সরকারি আলোচ্যসূচি থেকে বাদ রাখছে দু’দেশ। তবে তিস্তা যাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কাঁটা না-হয়ে দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সচেতন দু’দেশই।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চিনই ভারতের প্রধান প্রতিপক্ষ। কূটনীতির সেই লড়াইয়ে, ঢাকাকে পাশে রাখতে তৎপর নয়াদিল্লি। হাসিনার সফরের সময়, বাংলাদেশের জন্য প্রায় বাইশ হাজার কোটি টাকার নতুন ঋণ ঘোষণা করতে পারে ভারত।