শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭

English

সোনারপুরের সোনার দুকানে লুঠ, খুন, উঠে এল বাংলাদেশ যোগ

প্রকাশিত
এপ্রিল ৫, ২০১৭
news-image

সোনারপুরে সোনার দোকানে লুঠ ও মালিকের খুনের ঘটনায় জড়িত ডাকাতদলের মূল চক্রী বাংলাদেশের বাসিন্দা কাশেম। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত, দাবি পুলিশের।

পুলিশের দাবি, তাদের হাতে আসা অন্য দু’টি সিসিটিভির ফুটেজ থেকে অনুমান, সোনারপুরে সোনার দোকানের ডাকাতির মূল চক্রী বাংলাদেশের বাসিন্দা কাশেম। ঘটনার পর কাশেমের স্ত্রী মঞ্জিলা সহ ৩ দুষ্কৃতী ধরা পড়লেও এখনও অধরা কাশেম। পুলিশের দাবি, ৭ বছর আগে বেআইনিভাবে ভারতে ঢোকে সে। এর পর গত দু’বছরে ৭টি ডাকাতির ঘটনায় জড়িয়ে পরে কাশেম। পুলিশের অনুমান, গত বছর জুলাই মাসে সোদপুর এবং ২ বছর আগে হরিদেবপুরে ডাকাতির ঘটনারও মূল চক্রী ছিল সে।

কাশেমের পরিকল্পনা মতোই রবিবার সন্ধ্যায় অটোতে করে গিয়ে সোনারপুরে সোনার দোকানে ডাকাতি করে ৭ ডাকাত। মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে ধৃত অটোচালক, কাশেমের স্ত্রী মঞ্জিলা ও লাভলু সরদারের টিআই প্যারেড হয়। পুলিশের দাবি, জেরার মুখে লাভলু জানিয়েছে, সোনার দোকানে সে-ই গুলি চালায়। তার গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে মালিক দীপক দেবনাথের। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছ থেকে সীতাহার, বালা ও চূড় সহ ১৮টি গয়না উদ্ধার হয়েছে।

কিন্তু সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে কেন একের পর এক অপরাধ করছে এই দুষ্কৃতীরা? তদন্তকারীদের অনুমান, বাংলাদেশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‌্যাব-এর জন্য সেখানে সুবিধা করতে না পেরে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা এখানে হানা দিচ্ছে। অপরাধ করে গা ঢাকা দিচ্ছে বাংলাদেশে। সোনারপুরকাণ্ডের অধরা ৪ দুষ্কৃতী যাতে বাংলাদেশে পালাতে না পারে সেজন্য সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। অন্যদিকে, সোনারপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে এদিন ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। সকাল থেকেই বন্ধ বাজার-দোকান। তবে সড়ক ও রেল যোগাযোগে ধর্মঘটের কোনও প্রভাব পড়েনি।