শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭

English

সিলেটে জঙ্গি হামলায় জামাত যোগ, নিশ্চিত পুলিস

প্রকাশিত
মার্চ ২৮, ২০১৭
news-image

৪ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলছিল ‘অপারেশন টোয়ালাইট’। সোমবার বিকেলে সিলেটের আতিয়া ভবনের দখল নিল বাংলাদেশ সেনা ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন। বাড়ির তিনতলায় মিলল এক মহিলা সহ ৪ টি দেহ। এর মধ্যে দুটি মৃতদেহে লাগানো ছিল শক্তিশালী সুইসাইড সুইচার। মৃত ২ জঙ্গিকে জামাতের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ বলে শনাক্ত করেছেন গোয়েন্দারা। তবে সোমবার রাত পর্যন্ত তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

বিকেল সাড়ে পাঁচটা। সিলেটের আতিয়া ভবনের মূল দরজা ভেঙে ঢুকলেন রাপিড অ্যাকশন স্কোয়াডের আট কম্যান্ডো। পিছনে বাংলাদেশ সেনা ও অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের সদস্যরা। ঘণ্টা দুয়েক ধরে তন্নতন্ন করে তল্লাশি। তারপরই বাংলাদেশ এটিসি ডিরেক্টর ফকরুল এহসানের ঘোষণা, অপারেশন টোয়ালাইট প্রায় শেষ পর্বে। বাড়িতে বিস্ফোরণের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন বিস্ফোরণ বিশেষজ্ঞরা।

সিলেটের বহুতল থেকে উদ্ধার এক মহিলা সহ ৪ জনের মৃতদেহ ৷ এদের মধ্যে দু’জন জামাতের বিস্ফোরণ বিশেষজ্ঞ বলে সন্দেহ ৷ দু’জনের শরীরে লাগানো ছিল সুইসাইড সুইচার ৷ ৩ ও ৪ তলায় পাওয়া গিয়েছে প্রচুর বিস্ফোরক ও সুইচার ৷

শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছিল অভিযান। সিলেটের আতিয়া ভবনে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন কট্টর জঙ্গি। এই খবরে অভিযান শুরু করে রাব ও বাংলাদেশ সেনার যৌথ বাহিনী। একে একে বের করে আনা শুরু হয় বাড়িটিকে বাস করছিলেন প্রায় ৮০ জন সাধারণ মানুষ। এদের কয়েকজনকে ঢাল করে গুলির লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল জঙ্গিরা।

বাংলাদেশের অন্তত দুটি সংবাদ সংস্থার দাবি, মৃত চারজনের মধ্যে দু’জন জামাত উল মুজাহিদি্ন বাংলাদেশ বা জেএমবির কট্টর জঙ্গি। যদিও রাতের দিকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মুখ্য নিরাপত্তা উপদেষ্টার দাবি, মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে জানার চেষ্টা হচ্ছেয় যদিও তারা যে সন্ত্রাসবাদী তাতে সন্দেহ নেই।