বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

English

আপনাকে মোটা বানাচ্ছে ডায়েটে থাকা এই খাবার গুলি

প্রকাশিত
মার্চ ৯, ২০১৭
news-image

ওজন ঝরানোর জন্য আপনি মেনে চলেন অনেক ডায়েট। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে অনেক কসরতও করছেন। কিন্তু শরীর থেকে বাড়তি মেদ ঝরছে না এতটুকুও। প্রতিদিনের ডায়েট অনুযায়ী খাবার খাচ্ছেন কিন্তু তার ফল মিলছে না একটুও। তাহলে দেখে নিন কোন কোন খাবার মেদ ঝরানো বা ডায়েটের জন্য একেবারেই উপযুক্ত নয়।

কৃত্রিম চিনি : কোনও কৃত্রিম জাতীয় প্রোডাক্ট না খাওয়াই ভালো। যে কোনও ব্র্যান্ডের কৃত্রিম চিনিই নানারকম রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি হয়। আমাদের শরীর এই ধরনের খাবার হজম করতে পারে না। ল্যাবরেটরিজে তৈরি হওয়া এই বিষাক্ত কৃত্রিম চিনি শরীরে জন্য আদতে কোনও রকম কাজে আসে না। তাই বাড়তি হিসেবে শরীরে মেদ তৈরি করে এই আর্টিফিশিয়াল সুইটনার।

সোয়া মিল্ক : অনেকেই বলেন, সোয়া মিল্ক নাকি ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। ভুল বলেন তারা। উল্লেখ্য, সোয়া মিল্কে মেশানো থাকে নানারকম রাসায়নিক পদার্থ। শরীরকে ফিট রাখতে ও রোগা হতে অনেকেই প্রতিদিন সোয়া মিল্ক খান। মুদিখানার দোকানে যেসব প্রোডাক্ট তাকে, সেগুলো অনেক কম গুণমানের এবং খুব বেশি প্রসেসড। ফলে শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মেদ জমাতে সোয়া মিল্কের তুলনা নেই।

মারজারিন : এককথায় কৃত্রিম বাটার। শরীরে মেদ ঠেকাতে বাড়িতেই বানিয়ে রাখুন বাটার। যা মারজারিনের থেকে অনেক সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকরও বটে। বাড়ির তৈরি বাটারেও ফ্যাট থাকে, কিন্তু সেটা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর নয়। এছাড়া বাড়িতে বানানো বাটার শরীরের মেটাবলিক প্রক্রিয়ায় শক্তি জোগায়।

সংরক্ষিত জুস : প্রতিটি প্রিজারভ্যাটিভ জুসেই থাকে চিনির রস। শুধু জুসেই নয়, যেকোনও সফট ড্রিঙ্কসগুলোতেও চিনি দেওয়া তাকে। আপনি ভাবছেন কতটা আবার চিনি থাকবে। একটি বোতলে জুস যতটা দেখা যায়, ঠিক সেই একই পরিমান চিনি থাকে তাতে। সংরক্ষিত জুস খাওয়ার ফলে শরীরে ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। বাড়তে থাকে অবাঞ্ছিত মেদও। এছাড়া এই জুস না খাওয়ার আর একটা কারণ রয়েছে। সমীক্ষা বলছে, প্রতিটি প্রিজারভেটিভ জুসে যেমন প্রচুর চিনি থাকে, তেমনি থাকে রাসায়নিক রঙ ও পদার্থও।

গমের পাউরুটি : যারা ডায়েট করেন, তারা সকলেই গমের পাউরুটি খান। কিন্তু জানেন কি, এই সুস্বাদু গমের পাউরুটিতে থাকে রাসায়নিক পদার্থ। খেতে ভালো হলেও এটি শরীরে জন্য একেবারেই প্রযোজ্য নয়। গমের পাউরুটি বললেও, আদতে গম দিয়ে তৈরি হয় না। নানারকম পরিবর্তিত জিনিসপত্র দিয়ে এই পাউরুটি তৈরি হয়। ফলে গমের নামে শরীরে প্রবেশ করে বিষাক্ত পাউরুটি। যা শুধু বাড়তি মেদই জমায় না, মারণরোগের অনুঘটকও বলতে পারেন।